দানাদার খাদ্য উৎপাদনসহ সকল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতিকে খাদ্যে স্বনির্ভর করে তোলা এবং সবার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার জন্য বাংলাদেশ সরকার কতকগুলো বাস্তব আদর্শ গ্রহণ করে। এ আদর্শটির কতকগুলো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল। এ বাস্তব আদর্শের মধ্যে এটি কেন গ্রহণ করা হয়েছে, কাদের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে এবং কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত ছিল।
সামাজিক নীতি বাস্তবায়নে অবশ্যই বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে। পারে।
আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধতার কারণে সামাজিক নীতি বাস্তবায়নে সমস্যা সৃষ্টি হয়। সামাজিক নীতি বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সঠিক তথ্যের অভাব। তথ্যের অপর্যাপ্ততা ও সঠিক তথ্যের অভাবে নীতি বাস্তবায়নে সমস্যা দেখা দেয়। একটি দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, রাজনৈতিক সংকট সে দেশের সামাজিক নীতি বাস্তবায়নের পথে বড় রকমের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কার, অজ্ঞতা, অশিক্ষা প্রভৃতি সামাজিক ব্যাধি প্রকটরূপে বিরাজমান। আর কোন সামাজিক নীতি বাস্তবায়ন করতে গেলে এই ব্যাধিগুলো প্রায়ই বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
সামাজিক নীতি বাস্তবায়নে পরিকল্পণা প্রণয়ন কর্মসূচি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অনেক সময়ই সমন্বয়ের অভাব দেখা দেয়। এর ফলে সমস্যা সৃষ্টি হয়। । সামাজিক নীতি বাস্তবায়নে প্রায় সকল ক্ষেত্রেই উন্নয়নশীল দেশকে বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই সময়মতো অর্থ সাহায্য পাওয়া না গেলে নীতি বাস্তবায়নে সমস্যা দেখা দেয়। সামাজিক নীতি বাস্তবায়নের আরেকটি সমস্যা হলো বিশেষজ্ঞের অভাব। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ মূলত এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়।
উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, সামাজিক নীতি তখনই সফল হবে যখন এর প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন অধিকতর ফলপ্রসূ হবে। তাই এর প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে একজন সমাজকর্মী বা সরকারকে উল্লিখিত সমস্যাগুলো সমাধান করে সামাজিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?